৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৯:৫১

সংসদে বিরোধী নেতা রওশন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের,

রওশন এরশাদ সংসদের বিরোধী দলের নেতা। একই সঙ্গে কাউন্সিল পর্যন্ত জিএম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।  রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে পার্টির চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।  উভয়পক্ষে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। তিনি বলেন, রংপুর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কে হবেন তা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আজ কালের মধ্যেই ঠিক হবে।

রাঙা আরো বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে জাতীয় পার্টির ভাঙন রোধ করতে পেরেছি। জাতীয় পার্টিতে আর কোন ধরণের বড় সমস্যা সৃষ্টি হবে না। দলের এই ঐক্য আগামী দিনে সরকারে যাওয়া একটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এ সময় নেতাদের মধ্যে সহনশীল মনোভাব রাখার আহ্বান জানান তিনি।

গত এক সপ্তাহ ধরে জাপার চেয়ারম্যান ও সংদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় জিএম কাদের ও রওশন এরশাদের মধ্যে। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে জাপার একাংশ রওশন এরশাদকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করে। পরবর্তী সময়ে ওইদিনই সংবাদ সম্মেলন ডেকে জিএম কাদের বলেন, ‘রওশন এরশাদকে সম্মান করি, যতটুকু শুনেছি, তিনি নিজে থেকে নিজের কথা বলেননি। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে অস্থির হওয়ার কিছু নেই। জাপা ভাঙেনি। কোনও ভাঙনের মুখে পড়েনি। যেকোনও ব্যক্তি যেকোনও ঘোষণা দিলেই তো তা বাস্তবায়িত হয় না।’

এর আগে, মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে দলীয় প্যাডে নিজেকে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার পদে নিয়োগ দিতে স্পিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেন জিএম কাদের। এর পরদিন বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) জিএম কাদেরের চিঠির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন রওশন এরশাদ। এরই মধ্যে দিয়ে মূলত জাপায় গৃহবিবাদ শুরু হয়।

বারিধারার সমঝোতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা, মাসুদ উদ্দীন, ফখরুল ইমাম, মজিবুল হক চুন্নু প্রমুখ।