১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:১৪

প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টাইগাররা

দেশব্যাপী বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন। দেশের বিভিন্ন সংগঠন যখন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত, তখন বসে থাকেননি জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাও। নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টাইগাররা।

জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন লিখেছেন, ‘শুভজন্মদিন মাদার অব হিউম্যানিটি। বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বিস্ময়কর নিপুণ দক্ষতায় আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকল ষড়যন্ত্রের মধ্যেও এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের মহাসড়কে। আমরা গর্বিত আপনার মতো এমন একজন মানুষকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে পেয়ে। মহান আল্লাহর কাছে আপনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি ।’

সাকিব আল হাসান ইউনিসেফের বক্তৃতার কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘আজকের যুবকরা আমাদের ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, আজকের যুবকরা আগামীকালের নেতৃবৃন্দ। আমাদের যুবসমাজ এইচপিএম শেখ হাসিনার অনুকরণীয় নেতৃত্বে সঞ্চারিত, যিনি ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়নের জন্য আমাদের পথ আলোকিত করার জন্য মশালটিকে দৃঢ়তার সাথে বহন করেন। ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসাবে প্রধানমন্ত্রী ইউনিসেফ কর্তৃক ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ পুরষ্কার লাভ করায় শেখ হাসিনার সাথে এই মঞ্চে বসতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত।’

‘যুবকদের বিভিন্ন মুখ এবং কথা থাকতে পারে, কিন্তু আমরা সকলেই এক উজ্জ্বল বাংলাদেশ গড়তে আমাদের ভালবাসা এবং উৎসর্গের সাথে আমরা সকলেই এগিয়ে গেলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। সবাইকে আজ একসাথে পদক্ষেপ নিতে হবে।’

সাব্বির হোসেন তার ফেইসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আজ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, স্বাধীন বাংলাদেশে ’৭৫ পরবর্তী সময়ে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক, জননেত্রী ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন।

বঙ্গবন্ধুকন্যা নব পর্যায়ের বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা। হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত-স্মারক, উন্নয়নের কাণ্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার একান্ত বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্নসারথী। বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা ‘নীলকণ্ঠ পাখি’, মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী, মাদার অব হিউম্যানিটি। এক কথায় বলতে গেলে সমুদ্র সমান অর্জনে সমৃদ্ধ শেখ হাসিনার কর্মময় জীবন।’ সম্পাদনা : মারুফুল