১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:০৯

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান : ১৫ দিনে গ্রেপ্তার ৭

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগের কারণে যুবলীগ নেতা সম্রাটের নাম আলোচনায় আসে। অভিযানে যুবলীগ, কৃষক লীগ ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা র‌্যাব-পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন।

অবশেষে ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে যুবলীগর নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও অন্যতম সহযোগী এনামুল হক আরমানকেও গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সম্রাটকে আদালতে সোপর্দ করে রিমাণ্ড চাওয়া হবে বলে জানা গেছে। কাকরাইলের কার্যালয়ে ক্যাঙারুর দুটি চামড়া পাওয়ায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

এছাড়া ক্যাসিনো কাণ্ডে এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা জি কে শামীম, কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম, মোহামেডান ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এবং অনলাইন ক্যাসিনো এর মূল হোতা সেলিম প্রধান।

গ্রেফতার অভিযানে প্রায় সবার কাছে থেকে মোটা অংকের নগদ টাকা, অবৈধ অস্ত্র, স্বর্ণ, মাদক জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী।
এ পর্যন্ত ৮ ক্যাসিনো হোতা আটক হলেও অধরা রয়ে গেছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওসার ও কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ। এরা দুজন সম্রাটের ক্যাসিনো ব্যবসার দেখভাল করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে সাঈদ অভিযান শুরুর পর থেকে সিঙ্গাপুরে পলাতক। আর আবু কাওসার কিছুদিন দেশের বাইরে থেকে এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন।

মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর ছোট-বড় মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৪২ টির মতো অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বরের র‌্যাবের ক্যাসিনো বিরোধী শুদ্ধি অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন ও যুগান্তর