২৭শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:১৮
শিরোনাম:

জনগণ টোকায়-মোকায়ের বহিষ্কার চায় না,বললেন মির্জা আব্বাস

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন। ক্যাসিনো প্রসঙ্গে বিএনপি স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, আজকে শুনলাম যুবলীগের এক নেতা ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। মানুষ তো এ সমস্ত টোকায়-মোকায়ের বহিষ্কার চায় না। মানুষ এই নৈশভোজের সরকারের অপসারণ চায়। এই সরকারের অপসারণ ব্যতীত কখনোই এ দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে না।

মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে বিচার আছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নাই। দেশে আইন আছে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নাই।তিনি বলেন, সরকারের মামলা হামলার ভয়ে আমরা এমনি তো আধামরা হয়েগেছি। কিছু হলেই মামলা দিবেন। কিন্তু এই ভয় হুমকি-ধামকি বেশিদিন চলবে না। বেশিদিন এটা মানুষ মানবে না। বাংলাদেশের জনগণ এটাকে ভালো চোখে দেখছে না।

ভাইস চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন দুদু বলেন, দেশের নির্বাচন কমিশন আছে। নির্বাচনের সময় তিনি মাছ ধরতে যান। বিচারালয় আছে, প্রশাসন আছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে। কিন্তু আবরারের মতো ছাত্রদের নিরাপত্তা কোন ব্যবস্থা নেই।তিনি বলেন, সরকার যদি নির্লজ্জ না হতো তাহলে অনেক আগেই বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তার বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসতেন। সরকার ইতিমধ্যে একটা পুতুল নাচের খেলা আমাদের দেখাচ্ছে। যেখানে হাত দিচ্ছে সেখানে টাকা। যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাচ্ছে, সেখানে মাদক, ক্যাসিনো আর কোটি কোটি টাকা। নিচেই যদি এই অবস্থা দেখা দেয়, একটু একটু করে উপরে উঠে কি অবস্থা দেখা দিবে?

দুদু বলেন, এ দেশে যা ভালো কিছু হয়েছে সব ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে হয়েছে। আবরার কে হত্যা করার পর ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ প্রশ্ন উঠেছে। আবরার ছাত্র রাজনীতির কারণে মরে নাই। অপরাজনীতির কারণে মারা গেছে। ছাত্ররাজনীতির যারা জনক-জননী, নেতা-নেত্রী তাদের উচিৎ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জরিত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। স্বাধীনতার বিপক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া। মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে, ৭১সালে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।

চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান বলেন, কথায় আছে জয় কালে ক্ষয় নাই, মরণ কালে ঔষধ নাই। বর্তমান সরকারের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে। তার প্রমান ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।যদিও এখন তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছেন। কোন লাভ নাই। দেশের মানুষ ফুসে উঠেছে তারা এই সরকারের পতন চায়।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃর্শত মুক্তি ও বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে জাতীয়বাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।