১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৪৯

৭২ ঘণ্টার মধ্যে রুম্পার মৃত্যু রহস্য উন্মোচন না হলে কঠোর আন্দোলনে যাবে শিক্ষার্থীরা

স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পা হত্যাকাণ্ডের দুদিন পেরিয়ে গেছে। এরপরও সংশ্লিষ্টরা তার মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি। আগামী৭২ ঘণ্টার মধ্যে রুম্পার মৃত্যু রহস্য উন্মোচিত না হলে বৃহত্তর আন্দোলন ও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) ধানমন্ডি স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস ও সিদ্ধেশ্বরী স্থায়ী ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে এসব কথা বলেন শিক্ষার্থী ও তার সহপাঠীরা।

ইংরেজী বিভাগের ছাত্র রাখিল খন্দকার নিশান বলেন, রুম্পার লাশের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। এমনকি লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সে কি আত্নহত্যা করেছে না তাকে হত্যা করা হয়েছে এই প্রশ্নের জবাব মেলেনি! যদি তাকে হত্যা করা হয়ে থাকে তবে হত্যাকারীকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে আমার বোনের লাশে ডিজিটাল বাংলাদেশ চাই না’, ‘কেউ ধর্ষক, কেউ দর্শক, মানুষ দেখিনা কাউকে’, ‘জাস্টিস ফর রুম্পা’, ‘রাইস আপ স্টাণ্ড আপ’ প্লাকার্ড হাতে বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানায়।

এসময় স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ছাইফুল ইসলাম মাছুম বলেন, শুরু থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের অন্য দিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নুসরাতের ঘটনাতে যেমন হয়েছিলো। অন্য কোনো ইস্যুতে যেন রুম্পা হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা না পড়ে সেদিকে আমাদের নজর দিতে হবে। এসময় প্রশাসনের কাছে রুম্পা হত্যার বিচার দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা।

রুম্পার সহপাঠীরা মানববন্ধনে বলেন, আর যেন কোনো রুম্পাকে এভাবে যেনো দেখতে না হয়। যদি এটি আত্নহত্যা হয় তবে যে প্ররচনা দিয়েছেন, আর হত্যাকাণ্ড হলে খুনীর ফাঁসি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি করতে হবে । অন্যথায় পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একযোগে রাজপথে নেমে আসবে ।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে সাতমসজিদ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এসময় সড়কে যানচলাচল সাময়িক বন্ধ থাকে। মিছিলটি ১৯ নম্বর সড়ক প্রদক্ষিণ করে মূল ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।