২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:৩৩

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় কোকোর মৃত্যু হয়েছে: মির্জা ফখরুল

আরাফাত রহমান কোকো রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন না। তিনি একজন সাধারণ ক্রীড়াবিদ ছিলেন। প্রতিহিংসার কারণে বেগম জিয়া কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় কোকোর মরদেহ গ্রহণ করতে হয়েছে। ডিবিসি নিউজ, আরটিভি

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সকালে বনানী কবরস্থানে আসেন বিএনপি মহাসচিব।

এ সময় তিনি বলেন, এদেশে রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় ১/১১ ঘটনার পরে আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিথ্যা মামলায, মিথ্যা অজুহাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরাফাত রহমান কোকো একজন অসাধারণ ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের ছেলে ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। আমরা দেখেছি কি করুণ অবস্থায় তাকে (কোকো) মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। বিদেশের মাটিতে ভালো চিকিৎসা না পেয়ে তাকে চলে যেতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই পরিবার (জিয়া) এদেশের মানুষের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বের প্রতীক। জিয়া পরিবার এদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। আমরা আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন সেই কামনা করছি।

গণতন্ত্রের লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি, সংগ্রাম করছি। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী আজ কারাগারে বন্দি রয়েছে। চলমান এই আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫জন নেতাকর্মীর শহীদ হয়েছেন। মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা সফল হব, জয়ী হব এবং এই দানবীয় সরকারকে পরাজিত করে আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করব।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নাল আবেদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, মীর সরফত আলী সপু, নাজিমুদ্দিন আলম, নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলিম নকি, যুবদলের মামুন হাসান, আব্দুল মোনায়েম মুন্না সহ বিভিন্ন অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।