৩০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৩৫
শিরোনাম:

‘সবাই নষ্ট কেউ গোপনে কেউ ওপেনে’

বিছানায় হেলান দিয়ে শুয়ে আছেন মডেল-অভিনেত্রী মারিয়া মিম। তার পরনে সাদা রঙের শাড়ি। হাতে চুড়ি। চুলগুলো আলগা করে ছেড়ে দেওয়া। ঠোঁটে লিপস্টিক, কপালে টিপ। চোখের পাঁপড়িতে কাজল মাখা, দৃষ্টিতে লেগে আছে বিস্ময়!

ফেসবুকে পোস্ট করা একটি ছবিতে এমন রূপে ধরা দিয়েছেন মারিয়া মিম। এ ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘সবাই নষ্ট কেউ গোপনে কেউ ওপেনে’। ছবিটি পোস্ট করার পর অনেকে মিমের রূপের প্রশংসা করছেন। অনেকে ক্যাপশন নিয়ে তাকেই আক্রমণ করে মন্তব্য করছেন।

কয়েক দিন আগে বেশ কিছু আবেদনময়ী ছবি পোস্ট করে আলোচনার জন্ম দেন মারিয়া মিম। সেসব ছবির ক্যাপশনে এ অভিনেত্রী লিখেছিলেন— ‘সারা অঙ্গে জ্বলছে দেখো প্রেমের আগুন, নিবাতে গিয়ে কেন জ্বালাও দিগুন, কি দিয়ে বুঝাই মনের ভ্রমরটাকে, ও সে চায় তোমাকে, তুমি চাও আমাকে।’ এসব ছবি দেখে অনেকে মিমের রূপের প্রশংসা করেন। আবার অনেকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করতেও ছাড়েননি।

মারিয়া মিমের আরেক পরিচয় তিনি অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের প্রাক্তন স্ত্রী। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মারিয়া মিম স্পেনের নাগরিক। বলা যায়, সিদ্দিককে ভালোবেসে বাংলাদেশে ফিরেন তিনি। ২০১২ সালে সিদ্দিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মারিয়া মিম। ২০১৩ সালে এই সংসার আলো করে জন্ম নেয় এ দম্পতির প্রথম সন্তান আরশ হোসেন

ভালোবেসে সিদ্দিককে বিয়ে করলেও ২০১৯ সালের শেষের দিকে ডিভোর্স হয় তাদের। বিচ্ছেদের আবেদন মিমই করেছিলেন। গুঞ্জন রয়েছে, মিম শোবিজে কাজ করতে চান। কিন্তু সিদ্দিক গৃহিণী হিসেবেই চেয়েছেন। আর এজন্য ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন মিম। তবে আবেদনময়ী অভিনেত্রী মিমের দাবি— ‘সিদ্দিক তাকে মানসিক নির্যাতন করেছেন।’

২০১৮ সালে দেশের শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন মারিয়া মিম। একটি মোটরসাইকেলের বিজ্ঞাপনে মডেল হওয়ার মধ্য দিয়ে তার এই যাত্রা শুরু হয়। এরপর মিম স্যাভলন হ্যান্ডওয়াশ, ডিপ্লোমেটিক মিল্ক, ওয়ালটন, সিটি ব্যাংকসহ ত্রিশের অধিক বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হয়েছেন।

২০২১ সালে ‘রিভেঞ্জ’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হলেও সিনেমাটি থেকে বাদ পড়েন মারিয়া মিম। একই বছরে ‘হ্যালো সোহানা’ শিরোনামে একটি ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেন তিনি। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন ফারহান খান।