১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৩৩
শিরোনাম:

বৃষ্টিতে ভিজে ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, আলোচনার প্রস্তাব পুলিশের

দীর্ঘদিনের একদফা দাবি অর্থাৎ সিজিপিএ শর্ত শিথিল করে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশনের জন্য আন্দোলন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের স্নাতক পড়ুয়া বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট থেকে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে আন্দোলন করছেন তারা। এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের জন্য বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে তাদের।

দুপুর ২টা নাগাদ প্রবল বৃষ্টি শুরু হলেও সড়ক থেকে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলছেন, একদফা দাবি আদায় না হলে সড়ক ছেড়ে যাবেন না তারা। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

এক দফা দাবিটি হলো- সিজিপিএ সিস্টেম শিথিল করে অকৃতকার্য বিষয়ে মানোন্নয়ন পরীক্ষার মাধ্যমে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দিতে হবে।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই। সাত কলেজের সুযোগ-সুবিধা ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা না করেই সিজিপিএ পদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা শুরু থেকেই বিষয়টি সংশোধনের দাবি জানিয়ে আসছি। দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস দিলেও এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সুরাহা হয়নি।

তারা আরও বলেন, সাত কলেজের কোনো অভিভাবক নেই। শিক্ষকরা আমাদের পক্ষে কথা বলেন না। এত সংকট নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি অবিলম্বে সিজিপিএ শর্ত শিথিল করে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

এদিকে সড়ক অবরোধে জনভোগান্তির কথা উল্লেখ করে পুনরায় সমন্বয়কের সঙ্গে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শাহেন শাহ মাহমুদ। নীলক্ষেত মোড়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সূত্র: আরটিভি

শাহেন শাহ মাহমুদ বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছি। যেকোনো বিষয়ে দাবি-দাওয়ার জন্য রাস্তা বন্ধ করা উচিত নয়। শিক্ষার্থীরা আমার কথা শুনেছেন এবং আলোচনায় বসার জন্য সম্মত হয়েছেন। আমি নিজে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সমন্বয়কের কাছে যাব এমন প্রস্তাব দিয়েছি। শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রস্তাব শুনেছেন এবং সমন্বয়কের কাছে বসে আলোচনার বসবে বলে বিশ্বাস করি। সম্পাদনা: শামসুল হক বসুনিয়া