৫ই মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:০০
শিরোনাম:

গজারিয়ায় উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন আদায়ের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে-দায় চাপালো অফিস সহকারীর উপর–

স্টাফ রিপোর্টার গজারিয়া:
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের দেওয়ান আব্দুল মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট তথ্য গোপন করে বেতন আদায়ের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক শাহজাহান খানের  বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৭-০৮-২৩) সরজমিনে বিদ্যালয়ের ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে জানা যায় তারা উপবৃত্তি প্রাপ্ত হয়েও মাসিক বেতন ও অন্যান্য ফি ক্লাস শিক্ষকের নির্দেশে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান খান এর  কক্ষে  উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর বেতন মওকুফ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার সময় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে প্রধান শিক্ষক ও পূর্বের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট হতে কোন প্রকার বেতন আদায় করেন না এই মর্মে মতামত প্রদান করেন। কিছুক্ষণ পর  অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রোমান, শাখা ক, রুল ২২ ,এর পিতা নাসির উদ্দিন কয়েকজন মান্যগণ্য ব্যক্তি কে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট জানতে চায় আমার সন্তান উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী, তবে ২০২২ হইতে ২০২৩শে আগস্ট  পর্যন্ত তার নিকট হতে নিয়মিত বেতন ও অন্যান্য ফি আদায় করা হচ্ছে কেন ? তৎক্ষণাৎ ঐ শিক্ষার্থীর অভিভাবক উপস্থিত হলে মুহূর্তের মধ্যে প্রধান শিক্ষক ও পূর্বের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা ও সর্বপ্রকার দোষ অফিস সহকারি আবুল কালামের উপর চাপিয়ে দেন।
উভয় শিক্ষকের কথার বাচন ভঙ্গি যেন তথ্য গোপন করে অনিয়মের চিত্র ফুটে ওঠে।
প্রধান শিক্ষক শাজাহান খান আর ও জানান আমাদের অনেক খরচ তাই আমাদের২০২৩ সালে নবম শ্রেণি রেজিস্ট্রেশন ফি ও ৫০০ টাকা আদায় করতে হয়েছে। যদিও সরকারি নির্দেশনা নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত ১৭১ টাকা।
এখানেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বেতন মওকুফ—-
সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি বা বেতন মওকুফ থাকবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনুকূলে স্কীম ডকুমেন্ট মোতাবেক নির্ধারিত হারে টিউশন ফি বা বেতন দেওয়া হবে। উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনক্রমেই টিউশন ফি বা বেতন আদায় করা যাবে না।
এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন জানান নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ ও উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন প্রকার বেতন আদায় করতে পারবেনা। সমস্ত বেতনের টাকা শিক্ষার্থীকে ফেরত দিতে হবে। এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।